সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিক সেবা উপমন্ত্রী ড. রুমাইহ আল-রুমাইহ (Rumaih Al-Rumaih) জানিয়েছেন, চালু হওয়ার দুই বছরেরও কম সময়ে রিয়াদের গণপরিবহন নেটওয়ার্ক প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ব্যবহারকারী রেকর্ড করেছে। রিয়াদ মেট্রোতে ৮৫টি স্টেশন রয়েছে, সঙ্গে আছে বিদ্যুৎ ও প্রচলিত জ্বালানির মিশ্রণে চলা বাস নেটওয়ার্ক। তাঁর মতে, এটি একসঙ্গে নির্মিত সবচেয়ে বড় মেট্রো নেটওয়ার্ক, এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা থাকবে—এমন পূর্বাভাস সত্ত্বেও মানুষের যাতায়াতের ধরন বদলাচ্ছে।
রিয়াদে অনুষ্ঠিত ২৫তম বিশ্ব জ্বালানি কংগ্রেস ২০২৬-এর 'পরিবহন ও জ্বালানি প্রযুক্তির নতুন রূপ' শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৩০% পরিবহন ও লজিস্টিক খাতের, আর এ খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
তিনি জানান, সৌদি আরব শুধু কথায় সীমাবদ্ধ নয়; সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের আওতায় ২০৬০ সালের মধ্যে নিট-শূন্য নিঃসরণের লক্ষ্যে বাস্তব প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে রয়েছে কঠোর পরিবেশে হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনের পরীক্ষা, হাইড্রোজেন ট্রাক ও বৈদ্যুতিক জাহাজের পরীক্ষা।
উপমন্ত্রীর মতে, বিমান ও সমুদ্র পরিবহনে নিঃসরণ কমানো সবচেয়ে কঠিন, কারণ এগুলোর জন্য বিতরণ ও মজুতের বৈশ্বিক অবকাঠামো দরকার। তিনি সতর্ক করেন, একটিমাত্র জ্বালানি সমাধানের ওপর নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল; উৎসের বৈচিত্র্য ব্যবস্থাকে আরও সহনশীল করে।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বন্দরগুলো BOT ও দীর্ঘমেয়াদি ছাড় চুক্তিতে চলে, মদিনা বিমানবন্দর অংশীদারত্ব মডেলে নির্মিত, আর তায়েফ, কাসিম ও আবহা বিমানবন্দর প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে—আবহা প্রকল্প চুক্তি প্রদানের খুবই অগ্রসর পর্যায়ে। রেলখাতে অংশীদারত্ব তৈরি হচ্ছে এবং আন্তঃনগর বাস ছাড় চুক্তিতে চলে; এসব সুযোগ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য।


