সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় ১৪৪৮ হিজরির হজ মৌসুমের আগাম প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় ৭৮টি দেশের হজবিষয়ক অফিসের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের একটি ধারাবাহিকতা সম্পন্ন করেছে। হাজিরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর আগেই প্রস্তুতির মান বাড়ানো, পরিচালন পরিকল্পনা তদারকি এবং ব্যবস্থাপনা, চাহিদা ও সময়সূচির সমন্বয় এর লক্ষ্য।

বৈঠকগুলোতে প্রস্তুতির ধাপ, অনুমোদিত সময়সূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি, পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজের প্রক্রিয়া এবং অনুমোদিত সেবাদাতাদের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। আবাসন, পরিবহন, খাবার ও হাজিদের দলবদ্ধ যাতায়াতের ব্যবস্থা, সচেতনতা ও দিকনির্দেশনামূলক কর্মসূচি এবং হজ পরিচালনার বিধিবিধানও আলোচনায় আসে।

মন্ত্রণালয় জানায়, বিদেশি হাজিদের চুক্তি ও ব্যবস্থাপনা 'ইলেকট্রনিক পথ' প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যেখানে ৫০০টির বেশি ডিজিটাল সেবা রয়েছে এবং যা ৮০টির বেশি সরকারি ও পরিচালন সংস্থা এবং ৫ হাজারের বেশি সেবাদাতার সঙ্গে যুক্ত।

১৪৪৮ হিজরির হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল ১৪৪৭ হিজরির ১২ জিলহজ, যখন হজ অফিসগুলোকে 'প্রস্তুতি দলিল' ও নতুন মৌসুমের সময়সূচি হস্তান্তর করা হয়; এরপর আগের মৌসুমের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা হয়। দলিলটিতে প্রতিটি ধাপের ভূমিকা, দায়িত্ব ও সময়সীমা নির্ধারিত আছে।

মন্ত্রণালয়ের মতে, এই আগাম প্রস্তুতির লক্ষ্য হাজিদের যাত্রাকে আরও সুশৃঙ্খল, সহজ ও স্বস্তিদায়ক করা, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর 'হাজিদের সেবা কর্মসূচি'র লক্ষ্যের অংশ। বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে আগ্রহীদের জন্য এর অর্থ, আগামী মৌসুমের ব্যবস্থাপনা এখন থেকেই নির্ধারিত হচ্ছে।