সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়িত খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন ওমরাহ ও জিয়ারত কর্মসূচির চতুর্থ দলের বেশ কয়েকজন অতিথি মদিনায় পৌঁছানোর পর থেকে পাওয়া অভ্যর্থনা, আতিথেয়তা ও যত্নের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। দুই পবিত্র মসজিদের অতিথিদের প্রতি মনোযোগের জন্য তাঁরা সৌদি নেতৃত্বকে ধন্যবাদ দেন।
পাকিস্তানের মুহাম্মদ ইয়াকুব উবায়দুল্লাহ মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রক্রিয়ার সাবলীলতার প্রশংসা করে বলেন, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতি সৌদি আরবের যত্নের প্রতিফলন। পাকিস্তানেরই হাফেজ নাসিরুদ্দিন ফকির বলেন, উষ্ণ অভ্যর্থনার কারণে প্রথম মুহূর্ত থেকেই তাঁদের মনে হয়েছে তাঁরা আপনজন ও ভাইদের মাঝে আছেন।
পাকিস্তানি অতিথি হুজাইফা ফরিদ বলেন, সৌদি আরব ও দুই পবিত্র মসজিদের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন পাকিস্তানের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রোথিত। তাঁর ভাষায়, যাত্রার শুরু থেকেই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা আকুলতা ও আনন্দে ভরে ছিলেন, আর মদিনা ও মক্কা জিয়ারত মুসলমানদের কাছে এক পরম আকাঙ্ক্ষা।
তাজিকিস্তানের সুলাইমান কুরবানভ কর্মসূচিতে নির্বাচিত হওয়াকে বড় নিয়ামত বলে বর্ণনা করেন। মদিনা জিয়ারতের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে তিনি জানান, ওমরাহ পালনের অপেক্ষায় আছেন এবং এই সফর তাঁর জীবনের মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের মুহাম্মদ তানভীরুল ইসলাম বলেন, এই কর্মসূচি ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি সৌদি আরবের যত্ন এবং দুই পবিত্র মসজিদের সেবায় দেশটির ভূমিকার প্রতিফলন, যা মুসলিম জাতিগুলোর মধ্যে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করে।
অতিথিরা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সেবা ও সুবিধার জন্য ধন্যবাদ জানান। তাঁরা বলেন, সুশৃঙ্খল আয়োজন ও সমন্বিত সেবার ছাপ তাঁদের মনে চিরদিন থাকবে, এবং সৌদি আরব ও এর নেতৃত্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য দোয়া করেন।


