সৌদি আরবের সব অঞ্চলে ২০২৬ সালের ৮ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ নিরাপত্তা অভিযানে মোট ১৩,৮২২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬,৫৪৭ জন ইকামা (আবাসন) আইন, ৩,৮৯৬ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩,৩৭৯ জন শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন।

সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ঢোকার চেষ্টাকালে ২,০২১ জন ধরা পড়েছেন, আর অবৈধভাবে দেশ ছাড়ার চেষ্টাকালে আটক হয়েছেন ২৮ জন। লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয়, কাজে নিয়োগ বা আড়াল করার সঙ্গে জড়িত ২৪ জনকেও আটক করা হয়েছে।

বর্তমানে ৩৪,৮৩৪ জন প্রবাসী লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যার মধ্যে পুরুষ ৩২,৪৩৩ জন ও নারী ২,৪০১ জন। ২০,১৯০ জনকে ভ্রমণ নথির জন্য নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে, ৬,৫০৯ জনকে ভ্রমণ বুকিং সম্পন্ন করতে পাঠানো হয়েছে এবং ৯,৪৫৪ জনকে নির্বাসিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, সীমান্ত আইন লঙ্ঘনকারীদের দেশে প্রবেশে সহায়তা, দেশের ভেতরে পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা যেকোনো ধরনের সাহায্য বা সেবা দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ লাখ রিয়াল জরিমানা, ব্যবহৃত যানবাহন ও বাসস্থান বাজেয়াপ্ত এবং নাম প্রকাশের শাস্তি হতে পারে।

মন্ত্রণালয় এ অপরাধকে গ্রেপ্তারযোগ্য গুরুতর অপরাধ এবং সম্মান ও বিশ্বস্ততার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে। মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে ৯১১ নম্বরে এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৯৯৯ বা ৯৯৬ নম্বরে লঙ্ঘনের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।