সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, 23 এপ্রিল থেকে 29 এপ্রিল 2026 পর্যন্ত রাজ্যের সব অঞ্চলে পরিচালিত যৌথ মাঠপর্যায়ের অভিযানে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট 11,300 জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে 6,244 জন আবাসন আইন, 3,543 জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং 1,513 জন শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন।

একই সময়ে অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশের চেষ্টাকালে 1,330 জনকে আটক করা হয়, যাদের 43 শতাংশ ইয়েমেনি, 54 শতাংশ ইথিওপীয় এবং 3 শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এ ছাড়া অনিয়মিত পথে সীমান্ত পেরিয়ে রাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টার দায়ে 51 জনকে আটক করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় ও কাজ দেওয়া এবং তাদের আড়াল করার সঙ্গে জড়িত 14 জনকেও ধরা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে মোট 29,913 জন প্রবাসী লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যাদের মধ্যে 27,699 জন পুরুষ এবং 2,214 জন নারী। ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য 18,601 জনকে তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে, ভ্রমণের বুকিং সম্পন্ন করতে 4,337 জনকে পাঠানো হয়েছে এবং 14,855 জনকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের রাজ্যে প্রবেশে সহায়তা, দেশের ভেতরে তাদের পরিবহন, আশ্রয় প্রদান বা যেকোনো ধরনের সাহায্য বা সেবা দিলে সর্বোচ্চ 15 বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ 10 লাখ রিয়াল জরিমানা, পরিবহন ও আশ্রয়ে ব্যবহৃত বাহন ও বাসস্থান বাজেয়াপ্ত এবং নাম প্রকাশের শাস্তি হতে পারে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি গ্রেপ্তারযোগ্য গুরুতর অপরাধ এবং সম্মান ও বিশ্বস্ততার পরিপন্থী হিসেবে গণ্য। মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে 911 নম্বরে এবং রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে 999 ও 996 নম্বরে যেকোনো লঙ্ঘনের তথ্য জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে। সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য বৈধ ইকামা ও কাজের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা আইনি জটিলতা এড়ানোর সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।