সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয় আজ থেকে ১৪৪৭ হিজরির হজ মৌসুম শেষ হওয়া পর্যন্ত হাজিদের স্বাগত জানাতে কেন্দ্রীয় এলাকা ও পবিত্র মাশায়েরের মসজিদগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
প্রস্তুতির আওতায় রয়েছে মাশায়েরের প্রধান মসজিদগুলো: নামিরা, আল-মাশআরুল হারাম, আল-খাইফ ও হুজ্জাজুল বির মসজিদ। এসব মসজিদে রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, শব্দব্যবস্থা, আলো ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রস্তুত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় চত্বরগুলোতে তাপের চাপ কমানো, ছায়া ও শীতল পরিবেশ তৈরির প্রকল্প শেষ করেছে, যার মধ্যে নামিরা মসজিদের পেছনের চত্বর উল্লেখযোগ্য। অলাভজনক খাতের সঙ্গে মিলে মিনার আল-খাইফ ও হুজ্জাজুল বির মসজিদে ঘণ্টায় ১২৩ হাজারের বেশি হাজিকে পানি সরবরাহের সক্ষমতাসম্পন্ন ‘সুকইয়া আল-হুজ্জাজ’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
মক্কার হারাম সীমানা ও কেন্দ্রীয় এলাকায় ১৬৫০টি মসজিদ ও জামে মসজিদ প্রস্তুত করা হয়েছে। ১৮২২ জন দাঈ ও ২২০ জন অনুবাদকের অংশগ্রহণে ১৬০ হাজারের বেশি দাওয়াহ কার্যক্রম চলছে। ২৭টি ভাষায় ১.৪ মিলিয়নের বেশি সচেতনতামূলক উপকরণ, প্রায় ১,৯১৭,৭০০ কপি পবিত্র কুরআন ও ৮০টির বেশি ভাষায় এর অর্থের অনুবাদ বিতরণ করা হয়েছে এবং ১২ কোটির বেশি সচেতনতামূলক এসএমএস পাঠানো হয়েছে।
ডিজিটাল সেবার অংশ হিসেবে হাজিদের অবস্থানস্থলে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই, মিকাত ও মাশায়েরের মসজিদে ভিডিও কলের মাধ্যমে ফতোয়া সেবা, ইন্টারঅ্যাকটিভ স্ক্রিন ও ‘রুশদ’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। বহু ভাষার এই সেবাগুলো বাংলাদেশি হাজিসহ বিভিন্ন দেশের হাজিদের কাজে আসবে।
