সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, জাজান অঞ্চলের ফিফা গভর্নরেটের ভূপ্রকৃতি উঁচু এলাকায় পর্যটন বিনিয়োগের বিভিন্ন সুযোগ দেয়। এখানে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,০০০ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢালে গ্রাম ও ধাপে ধাপে সাজানো কৃষিজমি ছড়িয়ে আছে। কুয়াশা, বৃষ্টি আর পরিষ্কার আবহাওয়ার সঙ্গে চূড়া ও ঢালের দৃশ্যও বদলে যায়।

ফিফার পর্যটন প্রকল্পগুলো এসব বৈশিষ্ট্য কাজে লাগাতে খাড়া ঢাল ও জমির ভিন্ন ভিন্ন স্তরের সঙ্গে মানানসই আতিথেয়তা ও বিনোদন সুবিধা গড়ে তুলছে। উচ্চতার কারণে বসার জায়গাগুলো গ্রাম, খেত ও চূড়ার দিকে মুখ করে বানানো যায়, ফলে প্রাকৃতিক দৃশ্যই হয়ে ওঠে পর্যটন অভিজ্ঞতার অংশ।

এই ভাবনার স্পষ্ট উদাহরণ আল-খাতম ভিউপয়েন্ট। সেখানে চারপাশের পাহাড় ও গ্রামের দিকে মুখ করা বসার ও আতিথেয়তার সুবিধা বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে বসার জায়গা, ঐতিহ্যবাহী অতিথিকক্ষ, ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও কেবিন, পাশাপাশি রান্না ও বারবিকিউর ব্যবস্থা, অনুষ্ঠানের জায়গা এবং শিশুদের খেলার এলাকা।

কিছু সুবিধায় স্থানীয় ঐতিহ্যেরও ছাপ আছে, যেমন ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী, উৎপাদনশীল পরিবারের পণ্য এবং সৌদি কফির একটি কর্নার, যা পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষি ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরে।

এসপিএর মতে, ফিফার পাহাড়ি দৃশ্য আতিথেয়তা, বিনোদন ও স্থানীয় ঐতিহ্যের পরিচিতিকে একসঙ্গে মিলিয়ে পর্যটন অভিজ্ঞতা গড়ে তোলার সুযোগ দেয়, যা জাজান অঞ্চলের পাহাড়ি গন্তব্যগুলোর মধ্যে গভর্নরেটটির অবস্থান আরও দৃঢ় করছে।